জাতীয় পার্টি নির্বাচন করবে কি করবে না তা স্পষ্ট হবে বিকালে

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/-  আসন সমন্বয়ের বিষয়ে সমঝোতা চূড়ান্ত না হওয়ায় বিকেল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন জাতীয় পার্টির নেতারা। এমন পরিস্থিতিতে দলের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল হক চুন্নু দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে আরও কয়েক ঘণ্টা সময় নেন। বিকালের মধ্যে জাতীয় পার্টি নির্বাচন করবে কি করবে না তা স্পষ্ট করে দেবেন তিনি। রোববার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব এ কথা বলেন।

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে আগেই বলেছি, আমরা এই নির্বাচন করতে এসেছি। কিন্তু আমরা পরিবেশের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। যেহেতু এই দুই দিন নির্বাচনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজ প্রত্যাহারের শেষ দিন, আগামীকাল প্রতীক বরাদ্দের দিন। নির্বাচন করবেন কি করবেন না, তা আজকের মধ্যেই পরিষ্কার হওয়া দরকার। যার জন্য আমাদের পার্টির চেয়ারম্যান পার্টি অফিসে আছেন। তিনি সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। আরও সিনিয়র নেতা আছেন, তাদের সঙ্গে কথা বলা দরকার, বিকেলে আবারও কথা হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিকেলে আসন সমন্বয়ের বিষয়ে জানাবেন এমন প্রশ্নের জবাবে চুন্নু বলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক প্রথম যে কথা বলেছেন তা সত্য। এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তা হয়। নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। বিকাল ৪:০০-৫:০০টা ইস্যু নয়, ইস্যু হচ্ছে, আমরা আমাদের দলের নেতাদের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে কথা বলছি, তাদের মতামত নিচ্ছি। সেজন্য আমরা আজ আরও কয়েক ঘণ্টা সময় নিচ্ছি। এটা কোনো সরকারের কাছে নয়, আমরা আমাদের প্রয়োজনে এই সময় নিচ্ছি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় পার্টি বেশি আসন চাইছে। তবে আমি একটা কথা বলব, যখন কেউ কিছু চায়, তখন সে বেশি চায়। এটাই নিয়ম। আমরা চাই কি না চাই এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সুযোগ এই মুহূর্তে আমার নেই। তবে একটা কথা বলি, চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের নেতৃত্বে আমরা যাই করি না কেন, তার একক কর্তৃত্বে আমরা সব সিদ্ধান্ত নিই।

মহাসচিব চুন্নু বলেন, জাপা চেয়ারম্যান কেন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিচ্ছেন না, চেয়ারম্যান আজকে আসার পর আমাকে বললেন, আমার মনে হয় আপনার সঙ্গে তাদের সম্পর্কের অনেক উন্নতি হয়েছে, আপনি করুন। সেজন্য মিডিয়াকে সব খুলে বলছি।

আমরা গত কয়েকদিন ধরে আপনার সাথে মতামত বিনিময় করছি। আমি মনে করি এটা আমাদের দলের জন্য ভালো, আপনি এসব নিয়ে কথা বলার কারণে অনেক উন্নতি হয়েছে। মানুষ আমাদের সম্পর্কে জানে। এ জন্য আমি আমার দলের পক্ষ থেকে আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

এ সময় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. শেখ সিরাজুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম জহির, যুগ্ম মহাসচিব বেলাল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক এম এ রাজ্জাক খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.