ডিবি কার্যালয়ে আবরারের সহপাঠী অভি

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- শাখাওয়াত ইকবাল অভি বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।তাকে নেয়া হয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে। জানা গেছে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই শাখাওয়াত ইকবাল অভি নামে তার এই সহপাঠীকে (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে।

অভিকে বুধবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে আটক করা হয় বলে জানান ডিএমপির গোয়েন্দা দক্ষিণ বিভাগের (লালবাগ জোন) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (ডিবি) খন্দকার আরাফাত লেনিন।

তিনি বলেন, আবরারের বাবার করা হত্যা মামলায় ১৯ জনের মধ্যে অভির নাম নেই। তবে আবরারের সঙ্গেই বুয়েটে একই বিষয়ে একই ব্যাচে পড়ে অভি। হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ফাহাদকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢামেক ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. মো. সোহেল মাহমুদ বলেন, বাঁশ বা স্ট্যাম্প দিয়ে পেটানো হয়ে থাকতে পারে বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদকে। এর ফলেই রক্তক্ষরণ বা পেইনের (ব্যথা) কারণে ফাহাদের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, ফাহাদের হাতে, পায়ে ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। আঘাতের ধরন দেখে মনে হয়েছে ভোঁতা কোনো জিনিস যেমন- বাঁশ বা স্ট্যাম্প দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তবে তার মাথায় কোনো আঘাত নেই। কপালে ছোট একটি কাটা চিহ্ন রয়েছে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.