At last news on first everyday everytime

মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে আনোয়ারের মৃত্যু

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- শুক্রবার (১৯ জুলাই) মধ্যরাতে হালিশহর আবাসিক এলাকার এইচ ব্লকের একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে আনোয়ার হোসেন (৩৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। আনোয়ার হোসেন একসময় স্পেন প্রবাসী ছিলেন। তিনি রাঙ্গামাটি পৌর এলাকার রিজার্ভ বাজারের বাসিন্দা হাজি নজু মিয়ার ছেলে। তবে তার পরিবারের সদস্যরা নগরের খুলশী এলাকায় বাড়ি করে সেখানে বসবাস করেন।

যুবকের মৃত্যু নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে পরিবার। তবে ডায়রিয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র।

পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, আনোয়ার হোসেন একসময় স্পেনে থাকতেন। চার-পাঁচ বছর আগে দেশে ফিরে তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। ছয় মাস আগে তাকে সেভার আলোর পথ নামে ওই নিরাময় কেন্দ্রেটিতে ভর্তি করা হয়।

শুক্রবার মধ্যরাতে নিরাময় কেন্দ্রের পক্ষ থেকে পরিবারকে জানানো হয়, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ায় আনোয়ারকে জিইসি মোড়ের বেসরকারি মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা গিয়ে দেখতে পান আনোয়ার মারা গেছেন। তার লাশ রেখে পালিয়ে গেছে নিরাময় কেন্দ্রের সদস্যরা।

তাদের অভিযোগ, প্রায় ৫ ঘণ্টা আগে আনোয়ার মারা গেলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, আধাঘণ্টা আগে মারা গেছেন। মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডায়রিয়ার কথা বলা হলেও মরদেহে বিভিন্ন স্থানে ও হাতে আঘাতের দাগ আছে। কপালেও রয়েছে জখম।

এদিকে খবর পেয়ে রাতে মেট্রোপলিটন হাসপাতালে যায় চকবাজার থানা পুলিশের একটি দল। ঘটনাস্থল হালিশহর থানার অধীনে থাকায় তারা ফিরে যান। এরপর হালিশহর থানা পুলিশ নিয়ে নিরাময় কেন্দ্রে যান আনোয়ারের পরিবারের সদস্যরা।

মাদক নিরাময় কেন্দ্র সেভার আলোর পথর পরিচালক মিজানুর রহমান ডালিম জানান, তার প্রতিষ্ঠানে পানি নিয়ে সমস্যা চলছিল। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ায় গতকাল দুজনকে হাসপাতালে নেয়া হয়। তাদের মধ্যে একজন মারা গেছেন। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার আশিকুর রহমান বলেন, মারা যাওয়া ব্যক্তি স্পেনে ছিলেন। চার-পাঁচ বছর আগে দেশে চলে আসেন। গত ফেব্রুয়ারি থেকে নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি ছিলেন তিনি। আমরা জেনেছি, গতকাল তার ডায়রিয়া হলে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে মেট্রোপলিটন হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হলে মারা যান তিনি। তবে হত্যার অভিযোগ থাকলে আমরা অবশ্যই সেটা খতিয়ে দেখব। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নেয়া হয়েছে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.