অভিযোগ তুলে ধরবেন সাংগঠনিক সম্পাদকরা

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- কার কার বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ সাংগঠনিক সম্পাদকরা যৌথসভায় তা তুলে ধরবেন। নেতাদের অভিযোগের ওপর নির্ভর করে শাস্তির বিষয়টি নির্ধারণ করা হবে। তবে যে শাস্তিই হোক না কেন অভিযুক্ত নেতারা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবেন।

সাংগঠনিক ব্যবস্থা বা শাস্তির বিষয়টি চূড়ান্ত হবে আজ শনিবার ।স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিদ্রোহী প্রার্থী, ইন্দনদাতা ও তাদের সহযোগিতাকারী মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও নেতাদের বিরুদ্ধে ।
দলের একজন সাংগঠনিক সম্পাদক লাষ্টনিউজ২৪ বলেন, ‘আজকের যৌথসভায় সিদ্ধান্তের পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ যাবে। তাদের তিন সপ্তাহ সময় দেয়া হবে নোটিশের জবাব দেয়ার জন্য। এর মধ্যে যারা জবাব দেবেন তাদের জবাবের গ্রহণযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে শাস্তি নির্ভর করবে। আর যারা শোকজের জবাব দেবেন না তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করার মতো সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’
দলের একটি সূত্র জানায়, তাদের শাস্তি কী হতে পারে সে বিষয়ে দলের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয়ে গেছে। দলের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের কাছে বিষয়টি বলা হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে যেসব নেতা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিদ্রোহী হয়ে দল মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়েছেন তাদের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হবে। এ-সংক্রান্ত চিঠি শিগগিরই কেন্দ্রীয় দফতর থেকে ওইসব প্রার্থীর কাছে ডাকযোগে পাঠানো হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক প্রশ্নের জবাবে লাষ্টনিউজ২৪ বলেন, ‘স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে বা বিদ্রোহী প্রার্থীদের ইন্দন দিয়ে যারা দলে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন তাদেরকে শোকজ করা হবে। তিন সপ্তাহের মধ্যে তারা শোকজের জবাব দেবেন। আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড তা যাচাই-বাছাই করে দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করবে। জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে শনিবার দলের যে যৌথসভা হবে সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।’

কী ধরনের শাস্তি হতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সেটাও যৌথসভায় সিদ্ধান্ত নেয়ার পর বলা যাবে।’

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.