Ultimate magazine theme for WordPress.

‘৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে অর্বাচীনের মতো কথা বলেছে তারা’

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‌‘এগুলো ডাহা মিথ্যা কথা। তারা অর্বাচীনের মতো কথা বলেছে। তারা যখন কথা বলে তখন হাসিই পায়’। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ আলোচনা করে আগে নির্ধারিত করা হয়েছিল বলে যারা দাবি করছেন তাদের সমালোচনার জবাবে কথাগুলো বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (৮ মার্চ) বিকেলে ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ওপর এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনোযোগ দিয়ে সেই ভাষণ শোনেন। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান। এছাড়া মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান।
মূল প্রবন্ধের ওপর বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের সভাপতি শিল্পী হাসিম খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ড. নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের প্রধান নির্বাহী মাসুদা হোসেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে এই ভাষণটার (৭ মার্চের ভাষণ) অনেকে অনেক ব্যাখ্যা দেন। তখনকার ছাত্র নেতারা এখন যারা জীবিত আছেন -আজকেও একজনের ইন্টারভিউ দেখতেছিলাম, সেখানে কেউ কেউ নানাভাবে ব্যাখ্যা দিয়ে দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আসলে এ ব্যাখ্যাগুলো শুনলে হাসি’ই পায়। এরা আসলে কতো অর্বাচীনের মতো কথা বলে যে, তিনি (বঙ্গবন্ধু) নাকি আগের দিন নিউকিয়াসের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। ভাষণে এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম -এখানে মুক্তির সংগ্রাম আগে বলবেন নাকি স্বাধীনতার সংগ্রাম আগে বলবেন -সেটাও নাকি নিউকিয়াস আলোচনা করেছিল। এগুলো সম্পূর্ণ ডাহা মিথ্যা কথা। কোনো যৌক্তিকতাই (এসব কথার) নাই।’

কারো নাম উল্লেখ না করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যিনি বলেছেন উনি এটা বলতে পারেন, কারণ ওনার আবার একটা নিক নেইম ছিল। আমরা যখন ছাত্র রাজনীতি করতাম, তখন আমাদের নেতাদের একেকজনকে একেকটা টাইটেল দিতাম। এটা আমাদের একটা অভ্যাস ছিল। তারও একটা টাইটেল ছিল। এখন বলে ফেললে সবাই বুঝে যাবে -আপনারা টেলিভিশনে দেখে নিয়েন, সেটাই ভালো। আমি নাম বলতে চাই না।’

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.