Ultimate magazine theme for WordPress.

‘যুদ্ধাপরাধীদের রাষ্ট্র ও সমাজে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছেন কামাল’

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০১৮ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন মুক্তিযুদ্ধ ও বুদ্ধিজীবীদের সম্পর্কে কথা বলার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন ড. কামাল হোসেন। বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন এ আলোচনার আয়োজন করে।
তিনি বলেন, জিয়া-খালেদার পর ড. কামাল এখন যুদ্ধাপরাধীদের রাষ্ট্র ও সমাজে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছেন। আর এই অপরাধবোধ থেকেই সম্ভবত তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নে ক্ষেপে গিয়েছিলেন। তবে তার মনে রাখা উচিত একমুখ ধমক দিয়ে বন্ধ করা যায়, কিন্তু কোটি মানুষের দেশবাসীর মুখ বন্ধ রাখা যায় না। যুদ্ধাপরাধীদের সাথে নিয়ে নির্বাচন করে ড. কামাল বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে যাবার কেবল নৈতিক অধিকারই হারান নাই, বুদ্ধিজীবী হত্যা, স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে কথা বলার কোন অধিকার তিনি হারিয়েছেন। তাই, সাংবাদিকরা নয়, দেশবাসীর কাছে তারই ক্ষমা চাইতে হবে।

সাংবাদিকদের টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন করা প্রসঙ্গে মেনন বলেন, বুদ্ধিজীবী হত্যা নিয়ে প্রশ্ন করায় ড. কামাল যদি একজন সাংবাদিককে হুমকি দিতে পারেন, কত টাকা নিয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করছে বলে জিজ্ঞেস করতে পারেন, তাহলে আমরাও তাকে একই প্রশ্ন করতে পারি যে তিনি কত টাকার বিনিময়ে যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা বিরোধীদের ক্ষমতায় বসাতে মাঠে নেমেছে। ক্ষমতায় যাবার লোভে ড. কামালরা ধরা কে সড়া মনে করছে। তারা পাকিস্তানের আইএস এর সাথে আঁতাত করে রাজাকার আলবদরের দোসরদের এখন ক্ষমতায় নিতে চায়।

যুদ্ধাপরাধীদের সন্তানদের নির্বাচনে অংশ নেওয়া তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিরা যেমন আমাদের স্বাধীনতাকে কখনই মেনে নিতে পারেনি ঠিক তেমনি তাদের বংশধরেরাও আমাদের স্বাধীনতার অস্তিত্ব মানে না। অথচ ড. কামাল হোসেনদের মত কিছু তথাকথিত স্বাধীনতার স্বপক্ষের লোকেরা আজ স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে কেবল ঐক্যই করেনি তাদেরকে ক্ষমতায় নেবার জন্য ধানের শীষ মার্কায় নমিনেশনও দিয়েছে। কাজেই দেশবাসীকে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তিদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। তাদেরকে কেবল নির্বাচনেই নয় দেশের সবকিছু থেকেই বয়কট করতে হবে। যেখানেই তারা ঐক্য করবে সেখানেই তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে। তাদেরকে যারা সমর্থন দেবে একই সাথে তাদেরকেও বয়কট করতে হবে।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন সভায় সভাপতিত্ব করেন। এ সময় শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. আলীম চৌধুরীর সহধর্মিণী শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালের উপাচার্য ড. কণক কান্তি বড়ুয়া প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.