Ultimate magazine theme for WordPress.

জাতীয় পর্যায়ে ‘বিজয়ফুল’ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব আজ

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- সকাল সাড়ে ৯টায় ‘বিজয়ফুল’ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এন এম জিয়াউল আলম।বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এসডিজিবিষয়ক) মো. মোকাম্মেল হোসেন। সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।জাতীয় পর্যায়ে ‘বিজয়ফুল’ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে।

স্বাগত বক্তব্য দেবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো. আব্দুল মান্নান ইলিয়াস এবং ষ্টাফ রিপোর্টার/- ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির পরিচালক আনজির লিটন।
এ উপলক্ষে বুধবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা ভবনের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিং হয়। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।
তারা জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর শুরু হবে বিভিন্ন বিভাগের প্রতিযোগিতা। সাতটি বিষয়ে প্রতিযোগিতা হবে। প্রতিযোগিতার বিষয় বিজয়ফুল (শাপলা) তৈরি, মুক্তিযুদ্ধের গল্প রচনা, কবিতা রচনা, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয় ও চলচ্চিত্র নির্মাণ। প্রতিযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ, কাপড়, প্লাস্টিক সিট ও অন্যান্য উপকরণ দেয়া হবে।
বিভাগীয় পর্যায়ে বিজয়ীদের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য বুধবার সারাদিন এবং আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত নিবন্ধন কার্য়ক্রম চলে। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা শেষে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিজয়ের এ মাসে নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ আয়োজনে এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রথমবারের মতো জাতীয় পর্যায়ে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতা ২০১৮ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গত ৫ সেপ্টেম্বর বিজয় ফুল তৈরি প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়। ওই সভায় বিজয় ফুল তৈরির প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আলোকপাত করে বলা হয়, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স এবং বেলজিয়াম প্রতি বছর ১১ নভেম্বর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত তাদের বীর শহীদদের স্মরণে ‘রিমেমব্রান্স ডে’ উদযাপন করে থাকে। যেসকল যোদ্ধা ও সাধারণ মানুষ যুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন ওইদিন তাদের স্মরণে পোশাকে লাল পপি ফুল ধারণ করে থাকেন। বাংলাদেশেও আমরা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষের স্মরণে ডিসেম্বর মাসে বিজয় ফুলের প্রচলন করতে পারি এবং বিজয়ের মাসে পোশাকে বিজয় ফুলের প্রতীক ধারণ করতে পারি।
গত ১৭ অক্টোবর হতে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা পর্যায়ে দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আন্তঃশ্রেণি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শুরু হয়ে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে এ প্রতিযোগিতা হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে বাছাইকৃত প্রতিযোগিদের মধ্য থেকে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিযোগী নির্বাচন করা হবে।
প্রতিযোগিতা তিনটি স্তরে যথা: গ্রুপ-ক : শিশু থেকে পঞ্চম শ্রেণি, গ্রুপ-খ : ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি এবং গ্রুপ- গ : নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিযোগিতায় ছেলে ও মেয়ে উভয়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়।
উল্লেখ্য, সুন্দরভাবে তৈরি করা বিজয়ফুলের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হবে। তৈরি করা বিজয় ফুল বিক্রি করে অর্জিত অর্থ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার অথবা প্রতিবন্ধীদের সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.