Ultimate magazine theme for WordPress.

ভোটারদের জন্য আস্থার পরিবেশ তৈরির নির্দেশ সিইসির

0

ভোটারদের জন্য আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে জুডিশিয়াল (বিচারিক) ম্যাজিস্ট্রেটদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে নির্বাচনের ডামাডোল শুরু হয়ে গেল বলে জানিয়েছেন তিনি।
১০ ডিসেম্বর, সোমবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে জুডিশিয়াল (বিচারিক) ম্যাজিস্ট্রেটদের ব্রিফিংয়ের সময় এ কথা বলেন সিইসি।
বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে কে এম নূরুল হুদা বলেন, ‘আপনারা সাংবিধান ও আইনের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করবেন। সুতরাং সাংবিধানিক দায়িত্ব ও স্বাধীনতার ক্ষেত্রে মূলত আজ থেকেই নির্বাচনি ডামাডোল শুরু হয়ে গেল। বাকিটা মাঠে আপনাদের দায়িত্ব। আপনি স্বাধীন, আপনি নিরপেক্ষ, আপনি বিচারক, বিচারকের মাইন্ড আপনাকে অ্যাপ্লাই করতে হবে।’
সিইসি বলেন, ‘নির্বাচন কীভাবে সুষ্ঠুভাবে করবেন, সেটি আপনি আপনার মেধা, প্রজ্ঞা দিয়ে বিবেচনা করবেন। সংবিধান, জাতি, রাজনৈতিক দল ও ভোটারের কাছে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কমিশন দায়বদ্ধ।’
আস্থা অর্জনের জন্য নিরপেক্ষভাবে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন সিইসি।
নূরুল হুদা আরও বলেন, ‘ছয়শতের বেশি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি মাঠে থাকবেন। বৈষম্যের ঊর্ধ্বে থেকে রাগ-অনুরাগ প্রশ্রয় না দিয়ে আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগের নির্দেশ দিয়ে প্রজ্ঞা ও মেধা খাটিয়ে নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে হবে। আতঙ্ক নয়, কমিশন চায় আস্থার একটি পরিবেশ।’
এ সময় নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে একটাই স্বপ্ন, কোনো প্রার্থী যেন ভোটের মাধ্যমে নিজের জয় নিশ্চিত না করে জাতীয় সংসদে আসতে না পারে।’
কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদও কথা বলেন।
পুনঃতফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৮ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই হয় ২ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহার হয় ৯ ডিসেম্বর। ১০ ডিসেম্বর শুরু হয় প্রতীক বরাদ্দ। ৩০ ডিসেম্বর হবে ভোট।

Leave A Reply

Your email address will not be published.