Ultimate magazine theme for WordPress.

ফার্নিচার বা আসবাবপত্র তৈরিতে সেগুন কাঠ

0

কৃষি ও প্রকৃতি ডেস্ক/- বর্তমানে দেশের প্রতিটি পরিবারের প্রথম পছন্দ সেগুন কাঠ। ফার্নিচার বা আসবাবপত্র তৈরি করতে জুড়ি নেই এই সেগুন কাঠের ।ফলে দেশের প্রায় প্রত্যেক অঞ্চলেই রোপণ করা হচ্ছে সেগুন গাছ। জেনে নেই সে সম্পর্কে বিস্তারিত-
পরিচিতি/- সেগুন একটি বৃহদাকার পর্নমোচি বা পাতাঝরা উদ্ভিদ। এর উচ্চতা ২০ থেকে ৩০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। এর বৈজ্ঞানিক নাম Tctona grandis।
নিবাস/- সেগুন গাছের আদি নিবাস দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়া। তবে দক্ষিণ এশিয়া ছাড়াও বর্তমানে এ গাছ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাণিজ্যিকভাবে রোপণ করা হচ্ছে।
বৈশিষ্ট্য: সেগুন গাছের কাঠ খুবই শক্ত, টেকসই, দৃঢ় এবং পালিশযোগ্য। প্রথম কাটা কাঠ সোনালি হলুদ বর্ণের, ক্রমে তা গাঢ় রং ধারণ করে।
আসবাবপত্র/- ঘর বা যে কোনো প্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র তৈরি করতে এ কাঠের ব্যবহার বেশি।
জোগান/- পৃথিবীর মোট সেগুন কাঠের জোগানের এক তৃতীয়াংশ আসে মায়ানমার থেকে।
রোপণ/- বর্তমানে দেশের প্রায় সব জায়গায়ই উন্নতমানের কাঠের গাছ হিসেবে এটি রোপণ করা হলেও ১৮৭১ সালে চট্টগ্রামের কাপ্তাইয়ে প্রথম রোপণ করা হয় এই সেগুন গাছের।

Leave A Reply

Your email address will not be published.