Ultimate magazine theme for WordPress.

গুলশান কার্যালয়েও বিক্ষোভ ও ভাঙচুর বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীদের

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- পছন্দের প্রার্থীকে মনোনয়ন না দেওয়ায় শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ করার পর সন্ধ্যায় দলটির গুলশান কার্যালয়েও বিক্ষোভ ও ভাঙচুর করেছে বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, নারায়ণগঞ্জ বিএনপির নেতা তৈমুর আলম খন্দকার, গোপালগঞ্জের সেলিমুজ্জামান সেলিম, ঢাকা-১২ আসনের আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার ও শেরপুরের নালিতাবাড়ীর একটা আসনের মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীর সমর্থকরা বিক্ষোভ ও ভাঙচুর চালান।

শনিবার সন্ধ্যার দিকে কার্যালয়ের সামনে এসে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও নজরুল ইসলাম খান গুলশান কার্যালয়ে ভেতরে ছিলেন। তারা ধানের শীষের একক প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়নের চিঠি দিচ্ছেলেন। বিক্ষোভ শুরুর পরপরই মাইকে বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীদের শান্ত থাকতে বারবার ঘোষণা দেওয়া হলেও তারা শান্ত হননি।

বিএনপির নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ চলাকালে ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসন শাহ আলম ফারুক ইট-পাটকেলের আঘাতে আহত হন। তার পা কেটে যায়।

এর আগে দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এহসানুল হক মিলনের সমর্থকরা বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রধান গেটে তালা দিয়ে বন্ধ করে দেন।

পরে গেট খুলে দিয়ে দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলন করে প্রার্থিতা পরিবর্তন করতে ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে তার সমর্থকরা গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে যান।

শুক্রবার ২০৬ আসনে ধানের শীষের একক প্রার্থী ঘোষণা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বাকি প্রার্থীদের ঘোষণা শনিবার দেওয়া হবে বলে তখন জানান তিনি।

এদিকে, রাত ৮টার দিকে পটুয়াখালী-৩ আসনে গোলাম মাওলা রনির মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুনের সমর্থকরা নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করছেন। কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দিয়েছেন তারা।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.