Ultimate magazine theme for WordPress.

‘আইন নিজস্ব গতিতে চললে খালেদা জিয়া প্রার্থিতা ফিরে পাবেন’

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র আইনবহির্ভূতভাবে বাতিল করা হয়েছে, এ অভিযোগ করে তার প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করা হয়েছে।

ফেনী-১ এবং বগুড়া-৬ ও ৭ আসনে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে আপিল আবেদনের শেষ দিনে তিন আইনজীবী তিন আসনে খালেদা জিয়ার পক্ষে আপিলের আবেদন জমা দেন।

ফেনী-১ আসনে কায়সার কামাল, বগুড়া-৬ আসনে নওশাদ জমির ও বগুড়া-৭ আসনে মাসুদ আহমেদ তালুকদার এসব আবেদন জমা দেন।

খালেদা জিয়া দুই বছরের বেশি কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী ২ ডিসেম্বর তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার।

আপিল আবেদন জমা দিয়ে আইনজীবী কায়সার কামাল সাংবাদিকদের বলেন, রিটার্নিং অফিসার আইনবহির্ভূতভাবে, অন্যায়ভাবে বিএনপি চেয়ারপারসনের তিনটি মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন। এটা সরকারের ষড়যন্ত্রেরই অংশ। আমাদের কাছে প্রদত্ত ক্ষমতা বলে তিনটি আসনে প্রার্থীর পক্ষে আপিল দায়ের করলাম।

আইন নিজস্ব গতিতে চললে খালেদা জিয়া প্রার্থিতা ফিরে পাবেন বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ফেয়ারলি ডিসিশন নিলে ইসি থেকে খালেদা জিয়ার পক্ষে রায় পাব, আশা করি। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য জাতি অপেক্ষা করছে। খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন হলে তা প্রহসনের নির্বাচন হবে। দেশ ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্যে খালেদা জিয়ার সুবিচার চাই আমরা।

কায়সার কামাল বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রতি প্রতি পূর্ণ আস্থা রয়েছে। খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র যে গ্রাউন্ডে বাতিল হয়েছে তা এখানে প্রযোজ্য নয়। ইসি সংবিধান ও আইন অনুসরণ করলে এবং বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে বিশ্বাসযোগ্য সিদ্ধান্ত নিলে খালেদা জিয়া প্রার্থিতা ফিরে পাবেন।

দুই বছরের বেশি দণ্ডের পর নির্বাচনে অযোগ্যতার বিষয়ে নির্বাচনী আইনে বাধ্যবাধকতা ও ভোটে অযোগ্যতার বিষয়ে আদালতের আদেশের পরও আপিল করে খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না, তা জানতে চান সাংবাদিকরা।

এ বিষয়ে আইনজীবী কায়সার কামাল বলেন, ‘একেকটা কেস একেক রকম। খালেদা জিয়ার কেসটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমরা আশা করি, ইসি আইন ও সংবিধান অনুসরণ করবেন। ইসি নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে। দেশনেত্রীর বিষয়ে বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে, পক্ষপাতিত্ব না করে খালেদা জিয়া যেভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন সে ব্যবস্থা করবে ইসি।’

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে।

নির্ধারিত সময়ে ৩০০ আসনে ৩০৬৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। বাছাইয়ে ৭৮৬টি মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন চলছে। ৬-৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুনানি করে তা নিষ্পত্তি করবে ইসি। ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.