Ultimate magazine theme for WordPress.

অরিত্রীর আত্মহত্যায় দ্রুত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- শিক্ষকের অপমান সইতে না পেরে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে চাইল্ড রাইটস অ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠন।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে চাইল্ড রাইটস অ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানায় সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উচ্চ আদালত ২০১১ সালে এক নির্দেশনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সব ধরনের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি নিষিদ্ধ করে। পরবর্তী সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এ নির্দেশনা মেনে চলার জন্য বলা হয়। তা সত্ত্বেও আমরা অনেকটা নিয়মিতভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের শাস্তি প্রদানের সংবাদ গণমাধ্যম সূত্রে জানতে পেরেছি।

বক্তারা আরো বলেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্র কর্তৃক সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী এ বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১৭১ জন শিক্ষার্থী শিক্ষক কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। যার মধ্যে দুজন শিক্ষার্থী নির্যাতনের পর আত্মহত্যা করেছে।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এ ঘটনা জঘন্য, এ দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না। এ সময় তারা সরকারকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের শাস্তি বন্ধের জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

মানববন্ধনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়, এগুলো হলো-অরিত্রীর ঘটনাসহ অন্যান্য ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করা। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশুর শারীরিক ও মানসিক শাস্তি বন্ধ বিষয়ক প্রজ্ঞাপনটি দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা। শিক্ষকদের নিয়োগপত্রে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি প্রদান দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কামরুন্নাহার ডানার সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শিপা হাফিজসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.