Ultimate magazine theme for WordPress.

‘বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৮’ খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

0

সচিবালয় প্রতিবেদক /- ‘বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৮’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সংসদ অধিবেশন না থাকায় আইনটি অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হবে।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সচিব বলেন, ইপিজেডে (রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল) শ্রমিকদের কল্যাণ সমিতি (ট্রেড ইউনিয়ন) গঠনে শ্রমিকদের সমর্থন হার কমছে। আগে শ্রমিক কল্যাণ সমিতি গঠনে ৩০ শতাংশ শ্রমিকের সমর্থন লাগলেও নতুন আইনে তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০০৬ সালের মূল শ্রম আইনের সঙ্গে এটাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য যা যা করা দরকার করা হয়েছে। আইএলও, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রেরও কিছু অবজারভেশন ছিল এটাকে একটু শ্রমবান্ধব করার জন্য। সে দাবিতেই এটাকে অনেকটা শ্রমিকদের ফেভারেবল করা করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, শ্রমিক কল্যাণ সমিতি মানেই ট্রেড ইউনিয়ন। নামটা ভিন্ন, কিন্তু কাজ একই। শ্রমিকরাও এ নামটি পছন্দ করেছেন। এছাড়া, শ্রমিকদের ধর্মঘট করার ক্ষেত্রে যে তিন-চতুর্থাংশের সমর্থনের বাধ্যবাধকতা ছিল সেটা কমিয়ে দুই-তৃতীয়াংশ করা হয়েছে। শ্রম আইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে শ্রমিক কল্যাণ সমিতির গঠনতন্ত্র শ্রমিকরা নিজেরা করতে পারবেন, সেই বিধান রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন আইনে শ্রমিকদের ধর্মঘট ও লক আউটের অধিকার দেওয়া হয়েছে। শ্রমিক কল্যাণ সমিতির নির্বাচিত কর্মকর্তাদের চাকরি সংক্রান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। মালিকদেরও সমিতি করার অধিকার দেওয়া হয়েছে।

ইপিজেডের বিনিয়োগকারীরা এ আইনের সঙ্গে একমত কি না? জানতে চাইলে সচিব বলেন, সবার মতামত নিয়েই আইনটি করা হয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.