Ultimate magazine theme for WordPress.

‘গণভবনে বৈঠকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে’

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- নির্বাচন নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘আচরণবিধির ১৪ ধারায় বলা আছে, সরকারের সু্বিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি তার সরকারি কর্মসূচির সঙ্গে নির্বাচনী কর্মসূচি বা কর্মকাণ্ড যোগ করতে পারবেন না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দেড়শো অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের পক্ষে নির্বাচনী কাজ করার যে অঙ্গীকার করেছেন তা কি আচরণবিধি ভঙ্গ নয়?’

তিনি বলেন, ‘সরকারের সব ধরণের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে এবং রাষ্ট্রীয় ভবন গণভবনকে ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর এ ধরণের কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নির্বাচনকে বিতর্কিত করে তুলেছে। প্রধানমন্ত্রীর এসব নির্বাচনী আইনবিরোধী কর্মকাণ্ডে প্রতীয়মান হয় যে, সরকার ভোটারশূণ্য ও একতরফা নির্বাচনের পথেই হাঁটছে।’

প্রধানমন্ত্রী ঐক্যফ্রন্টের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে কটুক্তি করেছেন উল্লেখ করে বিষয়টিকে আচরণবিধি লঙ্ঘন বলেছেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রী এ ধরণের বক্তব্য দিতে পারেন না। নির্বাচনী আচরণবিধির ১১ ধারায় বলা আছে, কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তাদের মনোনীত কেউ বা তার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি উস্কানীমুলক বক্তব্য বা বিবৃতি দিতে পারবেন না। এই উস্কানীমুলক বক্তব্য প্রদান করে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন।’

এই আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ না নেওয়ার সমালোচনা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কখনোই সাহসী হতে পারবে না।’

ইসি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘যদি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচনের চিন্তা করে থাকেন, তবে আপনারা রেহাই পাবেন না। অন্যায় বা অবিচারের পন্থা অবলম্বন করলে দেশের সাধারণ মানুষ তা রুখে দিতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে আপনাদের।’

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.