Ultimate magazine theme for WordPress.

‘দুদকের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার কিছুটা ঘাটতি রয়েছে’

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, দুদকের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। আমাদের তদন্তের মান আপ-টু-দ্য মার্ক নয়, কাক্ষ্মিত মানের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। এ কারণেই হয়তো কমিশনের মামলায় শতভাগ সাজা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট (স্ট্রেংথেনিং অফ ল, প্রোগ্রাম) এর টেকনিক্যাল ডিরেক্টর রবার্ট লকারির নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি এ কথা বলেন।

দুদক চেয়ারম্যার বলেন, আইনের শাসন রাষ্ট্র ভেদে সামাজিক, আর্থিক এবং সংস্কৃতির ভিন্নতার কারণে আপাত দৃষ্টিতে ভিন্ন মনে হলেও চূড়ান্ত বিচারে অপরাধের শাস্তি নিশ্চিতের কোনো বিকল্প নেই। অপরাধীদের শাস্তির মাত্রা দেশ, কাল, পাত্রভেদে ভিন্ন হতে পারে। তবে আইনের শাসন যেখানে রয়েছে সেখানে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হয়।

তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। আমাদের তদন্তের মান আপ-টু-দ্য মার্ক নয়, কাক্ষ্মিত মানের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। এ কারণেই হয়তো কমিশনের মামলায় শতভাগ সাজা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

কমিশনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআইসহ বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতার প্রশংসা করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আমরা একত্রে প্রশিক্ষণসহ উত্তম চর্চার বিকাশে যেসব কাজ করছি, এসব কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে চাই। সম্পদের অপ্রতুলতা ও সম্পদের অপচয় রোধে প্রশিক্ষণ ভেন্যু শুধু যুক্তরাষ্ট্রে না করে বাংলাদেশেও করা যেতে পারে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম যেমন দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, সততা সংঘ, সততা স্টোর এর বিভিন্ন কর্মসূচির বিবরণ দিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে মানুষ সততা চর্চাকে বিকশিত করছে। দুর্নীতিকে এদেশের সাধারণ মানুষ মন থেকে ঘৃণা করে। অংশগ্রহণমূলক দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম ও পদ্ধতিগত সংস্কারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সেবায় হয়রানি, অনিয়ম ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে  অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে দুদক কমিশন বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এর টেকনিক্যাল ডিরেক্টর রবার্ট লকারি দুদকের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, ‘এটা অনুকরণীয়।’

তিনি জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে আবার বাংলাদেশে আসবেন। সে সময়  সততা সংঘ, সততা স্টোর ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শন করবেন।

এর আগে রবার্ট লকারি দুদক কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে কমিশনের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সাথে স্ট্রেংথেনিং রুল অব ল এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.