Ultimate magazine theme for WordPress.

কোম্পানি এবং চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

0

সচিবালয় প্রতিবেদক /- ‘কোম্পানি (সংশোধন) আইন, ২০১৮’ এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলন, এখন থেকে একজন ব্যাক্তিও একটি কোম্পানি গঠন করতে পারবেন। বাংলাদেশে এর আগে এক ব্যাক্তিক কোম্পানি গঠনের বিধান ছিল না। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক ব্যাক্তিক কোম্পানি গঠনের বিধান আছে।

তিনি আরো বলেন, এক ব্যাক্তিক কোম্পানির ক্ষেত্রে সদস্য সংখ্যা চাকরিতে নিযুক্ত ব্যাক্তিগণ ব্যাতিত ৫০ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। এটা প্রাইভেট কোম্পানির মধ্যে যুক্ত হবে। তবে শর্ত হচ্ছে, দুই বা ততোধিক ব্যাক্তি যৌথভাবে কোনো কোম্পানির এক বা একাধিক শেয়ার ধারক বা শেয়ারহোল্ডার হয়ে থাকলে তারা এ সংজ্ঞার উদ্দেশ্য পূরণে তারা একজন সদস্য বলে গণ্য হবেন। মূল সংজ্ঞার মধ্যে প্রাইভেট কোম্পানির স্থলে এই সংজ্ঞাটি যুক্ত করা হয়েছে।

সচিব বলেন, আলাদাভাবে এ আইনের ধারা ২ এর ১ এ একটি নতুন বিষয় সংযোজন করা হয়েছে। তা হচ্ছে, এক ব্যাক্তিক কোম্পানির সংজ্ঞা। এর সদস্য সংখ্যা কোম্পানিতে চাকরিরত ব্যাক্তিগণ ব্যাতিত ৫০ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। যদিও এই নিয়ম কোম্পানি আইনে আগেও ছিল।

 

অপরদিকে ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) আইন, ২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ তিন বছর থেকে কমিয়ে দুই বছর করে এ সংক্রান্ত আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আগে চলচ্চিত্রের সংজ্ঞায় বলা ছিল- সেলুলয়েড, এনালগ, ডিজিটাল বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে নির্মিত চলচ্চিত্র। এখন সেখান থেকে ‘এনালগ’ শব্দটি বাদ দিয়ে নতুন সংজ্ঞা করা হয়েছে। নতুন সংজ্ঞায় চলচ্চিত্র অর্থ সেলুলয়েড, ডিজিটাল বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে নির্মিত চলচ্চিত্র।’

সচিব বলেন, ‘পরিচালনা পর্ষদে সরকার মনোনীত ‘বিশিষ্ট সাংবাদিক’ শব্দ পরিবর্তন করে ‘গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব’ শব্দ সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান আইনে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের পরিচালনা পর্ষদে কমপক্ষে ৫ জন এবং সর্বোচ্চ ৭ জন বরেণ্য ব্যক্তিকে সরকার মনোনীত করতো। সেটা পরিবর্তন করে সরকার কর্তৃক মনোনীত ইনস্টিটিউটের একজন শিক্ষক, একজন চলচ্চিত্র নির্মাতাসহ কমকক্ষে ৪ জন এবং সর্বোচ্চ ৬ জন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বরেণ্য ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে। ফলে এ ইনস্টিটিউটের শিক্ষক প্রতিনিধি নিশ্চিত হবে এবং এর সঙ্গে চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সম্পৃক্ততা থাকবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘পরিচালনা পর্ষদে সরকার মনোনীত সদস্যদের মেয়াদ তিন বছর থাকলেও তা কমিয়ে দুই বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ গভর্নিং বডির মেয়াদ কমিয়ে দুই বছর করা হচ্ছে। এছাড়া সরকার মনোনীত বেসরকারি গণমাধ্যমের একজন প্রতিনিধির জায়গায় বেসরকারি শব্দটি বিলুপ্ত করে ‘সরকার কর্তৃক মনোনীত গণমাধ্যমের একজন প্রতিনিধি করা হয়েছে।’

Leave A Reply

Your email address will not be published.