দেড় ঘন্টা ব্যাটিংয়ের সুযোগ হল বাংলাদেশের

0

ক্রীড়া প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম থেকে/- চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিনে দেড় ঘন্টা ব্যাটিংয়ের সুযোগ হল বাংলাদেশের।

৫ উইকেটে ৫৫ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। অলআউট হলো ১২৫ রানে। তৃতীয় দিনে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭০ রান। প্রথম ইনিংসের ৭৮ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের পুঁজি ২০৩ রান। জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের করতে হবে ২০৪ রান।

মুশফিক ও মিরাজ দিনের খেলা শুরু করেছিলেন। দিনের প্রথম ওভারেই তিন ঝুঁকিপূর্ণ শট। তৃতীয় বলে সুইপে চার, পঞ্চম বলে আবার সুইপ, ক্যাচ মিসে দুই রান। শেষ বলে রিভার্স সুইপে ১ রান। দ্রুত রান তোলার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন তা বোঝা যাচ্ছিল স্পষ্ট।

দ্বিতীয় ওভারে পেস আক্রমণ এনে কিছুটা অবাক করেছিলেন ব্রেথওয়েট। কিন্তু সাফল্য আসল ওই ওভারেই পঞ্চম বলে। রিভার্স করা বলে ব্যাট-প্যাডের মাঝ দিয়ে বোল্ড মুশফিক। এর আগে দ্বিতীয় বলেও ‍উইকেটের স্বাদ পেতে পারতেন ডানহাতি পেসার । দিনের প্রথম বলে মিরাজ ক্যাচ তুলেছিলেন স্লিপে। কিন্তু প্রথম স্লিগ ও গালির মাঝ দিয়ে বেরিয়ে যায় বল, চার রান।

দুই বাউন্ডারিতে মাহমুদউল্লাহ শুরুটা ভালো করেছিলেন। ভরসা হয়ে উঠেছিলেন। ইনিংস বড় করার পথে বিশুর বলে ১৫ রানে জীবন পান শাই হোপের হাতে। এরপর বিশুর বলে ডাউন দ্য উইকেটে তার ছক্কা বলে দিচ্ছিল আত্মবিশ্বাস এখন আকাশছোঁয়া। কিন্তু সেই আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরান ওই বিশু।লেগ স্পিনারের বলে সুইপ করবেন কিনা করবেন না এমন দ্বিধায় খেললেন বাজে শট। ক্যাচ তুললেন স্লিপে। তার শিশুতোষ শটে এবার ক্যাচ লুফে নিতে ভুল করেননি হোপ। ৩১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস আসে মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে।

অবশ্য এর আগে বিশুর দুর্দান্ত দুই ডেলিভারীতে সাজঘরে ফেরেন মিরাজ ও নাঈম। ওই দুই ডেলিভারীতে তাদের করার ছিল খুব সামান্যই। নিখুঁত পিচ আপ ডেলিভারী, অসাধারণ টার্ণের সঙ্গে সামান্য বাউন্স। আদর্শ লেগ স্পিন ডেলিভারী।

নাঈম যখন আউট হন তখন বাংলাদেশের লিড দুইশ ছাড়িয়ে। ড্রেসিং রুমের বাইরে ও ডাগ আউটে হাতে তালি। বোঝা যাচ্ছিল দুইশত রানে স্বস্তি পেয়েছে টাইগার শিবির। কিন্তু ৩ রানের ব্যবধানে সব শেষ। ১০ বলের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।

তৃতীয় দিনে বাংলাদেশের পাঁচ উইকেটের তিনটি নিয়েছেন বিশু। একটি করে উইকেট পকেটে পুরেছেন গ্যাব্রিয়েল ও চেস।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের লক্ষ্যটা খুব বড় নয়। তবে চতুর্থ দিনে এ রান অনেক বড়, অনেক চ্যালেঞ্জিং। বাংলাদেশের চার স্পিনারদের সামলে সফরকারীরা জয় পায় কিনা সেটাই দেখার।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.