LastNews24
Online News Paper In Bangladesh

সংসদে বক্তব্যসহ একটি বিল পাসে গড় সময় ৩২ মিনিট

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- একাদশ জাতীয় সংসদের পাঁচটি অধিবেশনে আইন প্রণয়ন কার্যক্রমে ব্যয় হয় মোট সময়ের ৯ শতাংশ। আর বিল উত্থাপন এবং বিলের ওপর সদস্যদের আলোচনা ও মন্ত্রীর বক্তব্যসহ একটি বিল পাস করতে গড়ে প্রায় ৩২ মিনিট সময় ব্যয় হয়।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রকাশিত ‘পার্লামেন্ট ওয়াচ: একাদশ জাতীয় সংসদ (১ম থেকে ৫ম অধিবেশন)’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১৯ সালে ভারতের ১৭তম লোকসভার অধিবেশনে আইন প্রণয়নের সময় ব্যয়ের হার ছিল ৪৫ শতাংশ। আর ২০১৯ সালে ভারতের ১৭তম লোকসভায় প্রতিটি বিল পাসে গড়ে প্রায় ১৮৬ মিনিট সময় ব্যয় হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচটি অধিবেশনে ১৬টি সরকারি বিল (বাজেট বিল ছাড়া) পাস হয়। এগুলোর মধ্যে সংশোধনমূলক আইন ছিল ৬টি। পাস হওয়া আইনের মধ্যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন সংশোধন, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন সংশোধন উল্লেখযোগ্য।

এতে আরও বলা হয়, অধিকাংশ সংসদীয় কমিটিতে বিলের ওপর আলোচনা ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। বিলের ওপর সংশোধনীয় যাচাই-বাছাই প্রস্তাবের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে প্রধান বিরোধী দল এবং অন্যান্য বিরোধী সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ পরিলক্ষিত হয়েছে। আইন প্রণয়ন কার্যক্রমে প্রধান বিরোধী দল ৬৭ শতাংশ, অন্যান্য বিরোধী সদস্য ১৭ শতাংশ, সরকারি বিল ১৬ শতাংশ (বিল উত্থাপনকারী মন্ত্রীরা) সময় ব্যয় করেছেন।

অন্যদিকে ৩৫০ জন সংসদ সদস্যদের মধ্যে ১৪ জন (৪ শতাংশ) বিলের ওপর নোটিশ দিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছেন। তাদের মধ্যে বিলের ওপর সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন ৮ জন সদস্য। বাকি সদস্যদের ভূমিকা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। পাস হওয়া বিলের ওপর সংশোধনী প্রস্তাব সময়ের মধ্যে বাক্য পুনর্গঠন ধারা-উপধারা কোনো বিন্যাস এবং সমার্থক শব্দগুলো ও বিরাম চিহ্ন সংযোজন ও বিয়োজন প্রাধান্য পেয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিলের ওপর জনমত যাচাই-বাছাই প্রস্তাবের ক্ষেত্রে অধিকাংশ কণ্ঠভোটে নাকচ হতে দেখা যায়। এছাড়া আইন প্রণয়নে জনগণের কোনো অংশগ্রহণ ছিল না। কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী বক্তব্য ও মতামত উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সদস্যদের একাংশের দক্ষতা গতি এবং অধিকাংশ সদস্যের পূর্বপ্রস্তুতির ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়েছে। বিল পাসের ক্ষেত্রে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা কাজে লাগিয়ে সরকারি দল একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy