LastNews24
Online News Paper In Bangladesh

মুখে মাস্ক না থাকলে পণ্য বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত দোকানীর

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- দেশের সব দোকানপাট, মার্কেট ও বিপণিবিতানে এখন থেকে মাস্ক ছাড়া কোনো ক্রেতা-বিক্রেতাদের প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। ১ নভেম্বর থেকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলো, আগামী ২০২১ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন। তিন দফা দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটি।

সম্মেলনে আরো জানানো হয়,যাদের মুখে মাস্ক থাকবে না তাদের কাছে পণ্য বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।

সংবাদ সম্মেলনে হেলাল উদ্দিন বলেন, বিশ্বে দ্বিতীয় দফায় করোনার সংক্রমণ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে শীত মৌসুম আসন্ন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সবাইকে মাস্ক পরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সামনে শীতে করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে, এমন আশঙ্কায় সরকার ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ নীতি বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ও সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে দোকান মালিকেরাও বলছেন, ‘এই মুহূর্তের ভ্যাকসিন, মাস্ক দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে নিন।’

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির তিন দফা দাবিগুলো হলো- দোকান মালিকদের জন্য ৫০ লাখ টাকা সীমা পর্যন্ত টার্নওভার ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখা, অতিক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রণোদনা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার ও ‘মাস্ক নেই, সেবা নেই’ শীর্ষক সচেতনতা কার্যক্রম বাড়ানো।

করোনা পরিস্থিতিতে সরকারি প্রণোদনা থেকে তেমন কোনো সুবিধা পাননি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এখন বলা হচ্ছে, প্রণোদনা নিতে ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। কিন্তু অসংখ্য ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুঁজি ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। তারা কখনোই ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা করেননি। কারণ, ট্রেড লাইসেন্স করতেই খরচ লাগে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা। এই শর্ত মানা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পক্ষে সম্ভব না বলে জানান দোকান মালিকদের এ নেতা।

হেলাল উদ্দিন আরও বলেন, সারা দেশে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ভ্যাট নিবন্ধন নেয়ার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে। এই মুহূর্তে করোনায় ক্ষুদ্র, অতি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের বাধ্যতামূলক নিবন্ধনের চাপ দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন আইনের বাধ্যবাধকতা হচ্ছে প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করা। না করলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা। এটা মানা কোনোভাবেই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পক্ষে সম্ভব নয়।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy