LastNews24
Online News Paper In Bangladesh

বিপিএলের দ্রুত সমস্যা সমাধানে তৎপর বিসিবি

0

স্পোর্টস ডেস্ক/-  আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের সংগঠন ‘ফেডারেশন অব ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটারস অ্যাসোসিয়েশন (ফিকা)’ এর বার্ষিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টিতে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক না পাওয়া ও পেতে বিলম্ব হওয়ার বিষয়টি। যা দেখে নড়েচড়ে বসেছে দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বোর্ডের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেয়া হয়েছে যে, অতিদ্রুতই পারিশ্রমিক না পাওয়া ক্রিকেটারদের পুরো টাকাই পরিশোধ করে দেয়া হবে। ফিকার প্রতিবেদনে যে ছয়টি লিগের নাম এসেছে, সেগুলোর মধ্যে বিপিএলই শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠিত টুর্নামেন্ট। ফলে এমন প্রতিবেদনে নাম আসাটা আয়োজকদের জন্যও বিব্রতকর। তাই দ্রুত সমস্যা সমাধানে তৎপর বিসিবি।

ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোর প্রতিবেদন মোতাবেক, ২০১৮-১৯ মৌসুমে সিলেট সিক্সার্সের হয়ে খেলা ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান নিকোলাস পুরান এবং আফগান অলরাউন্ডার গুলবদিন নাইব তাদের পারিশ্রমিক পাননি এখনও। এ বিষয়ে গত ১২ মাস ধরেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে তাগাদা দিয়ে আসছিল বিসিবি।

সিলেটের কাছ থেকে সবমিলিয়ে ৩৫ হাজার ডলার পাওয়ার কথা পুরানের, নাইবের পাওনা ৩২ হাজার ডলার। কিন্তু পুরান পেয়েছেন শুধুমাত্র ১০ হাজার ডলার। বাকি পারিশ্রমিকের ব্যাপারে ইতিবাচক কোনো সাড়া পাননি এ দুই ক্রিকেটার। তবে এবার হয়তো বিসিবির হস্তক্ষেপে তাদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হতেও পারে।

বিপিএলের প্রথম দুই আসরে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নিয়ে বড়সড় ঝামেলা দেখা দেয়ায়, পুরো কাঠামোতেই পরিবর্তন এনেছে বিসিবি। বিশেষ করে ২০১৯-২০ মৌসুমের বিপিএলে বেশিরভাগ খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক যথাসময়েই পরিশোধ করে দিয়েছে বিসিবি। তবু ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক বিষয়ে ঝামেলা দেখা দেয়ায় খানিক বিব্রত তারাও।

বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী ক্রিকইনফোকে বলেছেন, ‘এটা বিসিবির জন্য একটা চিন্তারই কারণ। বিষয়টিকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গেই দেখছি। কারণ এক্ষেত্রে বিসিবিও পরোক্ষভাবে দায়ী। আমরা খেলোয়াড়দের এজেন্টের মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজি ২০১৮-১৯ মৌসুমের টাকা পরিশোধ করেনি। আমরা খেলোয়াড় এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে কথা বলে টাকার অঙ্কের ব্যাপারে আসল তথ্য জানার চেষ্টা করছি। অর্থ পরিশোধ না করে ফ্র্যাঞ্চাইজির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও শুরু করেছি।’

তিনি বলেছেন, ‘এই টাকাটা দিতে আমাদের খানিক দেরি হয়েছে। তবে আমরা পুরোটাই পরিশোধ করেছি। বিসিবি সাধারণত বাড়তি কিছু টাকা যোগ করে দেয় এটার সঙ্গে। ফলে আইসিসি প্রাইজমানি আমাদের কাছে আসলে পরেই সেটা বণ্টন করে থাকি। এবার খানিক দেরি হয়েছে। তবে গত কয়েক বছরের মতো সবাইকেই ঠিকঠাক দেয়া হয়েছে।’

ফিকার প্রতিবেদনে বিপিএল ছাড়াও উঠে এসেছে যে, ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ থেকে পাওয়া প্রাইজমানির অর্থ খেলোয়াড়দের দিতে গড়িমসি করেছে বিসিবি। এটি অস্বীকার করেছেন বিসিবি সিইও, জানিয়েছেন দেরিতে হলেও সবাইকে এই অর্থ দিয়ে দেয়া হয়েছে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy