LastNews24
Online News Paper In Bangladesh

‘বন ও বন্যপ্রাণী দুটোকেই রক্ষা করতে হবে’

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- বন্যপ্রাণীকে শত্রু বা ভোগের পণ্য ভাবা ঠিক নয়,বন ও বন্যপ্রাণী দুটোকেই রক্ষা করতে হবে।তাহলেই আমরা সুন্দর পরিবেশ ফিরে পাবো।বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস ২০২০ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বলেছেন,পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার ফলে মানুষের মধ্যে এখন অনেক সচেতনতা এসেছে।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে আগারগাঁওয়ে বন ভবনের হৈমন্তি মিলনায়তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান বন সংরক্ষক মোহাম্মদ শফিউল আলম চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, মন্ত্রণালয়ের সচিব জিয়াউল হাসান, অতিরিক্ত সচিব ড. মো. বিল্লাল হোসেন। এ ছাড়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন মিহির কুমার দে।

শাহাব উদ্দিন বলেন, আগে আমরা ছোট থাকতে বাড়ির কাছে বাঘ দেখতাম, এখন আর দেখা যায় না। উজাড় হতে হতে সেই বন আমার বাড়ি থেকে এখন ১০ কিলোমিটার দূরে। আগে মানুষ পাখি শিকার করার জন্য মত্ত হয়ে যেত, হরিণ শিকার করতে পাগল হতো । এছাড়া পাখি শিকার করে রাস্তাঘাটে বিক্রি করার প্রবণতাও ছিল। এখন আর সেই জিনিসটা লক্ষ্য করা যায় না। মন্ত্রণালয়ের গৃহীত পদক্ষেপের কারণেই শিকারিরা পাখি শিকার এবং বন্যপ্রাণী হত্যা থেকে বিরত রয়েছেন। তিনি বন এবং বন্যপ্রাণী রক্ষার জন্য বনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কার্যকর ভূমিকা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

পরিবেশ বন ও জলবায়ু উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বলেন, বন্যপ্রাণী রক্ষার জন্য যেখানে যে দায়িত্বে থাকবেন সঠিকভাবে সে দায়িত্ব পালন করবেন। পশু-পাখি ও জলজ প্রাণী বাঁচাতে হবে। তা না হলে মানুষের জীবন হুমকির মুখে পড়বে।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে সব সময় সঠিক তথ্যটা জানানো হয় না। সংশ্লিষ্ট মহলের স্বার্থের কারণে অনেক সময় বন উজাড় করে আবাসন তৈরি করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

পরিবেশ বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, বিভিন্নভাবে আমাদের বন ও পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে। বনের মধ্য দিয়ে রাস্তা, রেললাইন তৈরি হচ্ছে। বন কেটে আবাসন তৈরি করাসহ সবকিছুই হচ্ছে। প্রাণীকূলকে রক্ষার জন্য এসব বন ধ্বংসকারী কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy