LastNews24
Online News Paper In Bangladesh

ফিরিয়ে আনা হচ্ছে চীনের রাষ্ট্রদূত ফজলুল করিমকে

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সরকারের উচ্চ মহলের অনুমতিক্রমে বেইজিংয়ের কাছে মাহাবুবুজ্জামানের এগ্রিমো পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে ঢাকা। বেইজিং অনুমোদন করলে বাকি প্রক্রিয়াও ত্বরান্বিত হবে।

সচিব পদ মর্যাদার কর্মকর্তা নিয়ে চীনে রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত ছিলেন ফজলুল করিম। তার সময়ে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ‘কৌশলগত অংশীদারত্বে’ উন্নীত হলেও সমালোচনার মুখে পড়েছে ফজলুল করিমের সফলতা।জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চীনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ফজলুল করিমকে দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। তার স্থলাভিষিক্ত করা হচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয়) মো. মাহবুবুজ্জামানকে।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, দু’দেশের মধ্যকার এ সাফল্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নয়, বরং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের দূতদের ভূমিকায় বেশি। তারাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করেছে।

চীন থেকে ফেরত আনার পর ফজলুল করিমকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হবে বলে জানিয়েছে সূত্র। ২০১৪ সালের অক্টোবরে রাষ্ট্রদূত ফজলুল করিমকে চীনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এর আগে তিনি মেক্সিকোতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।

বর্তমানে সচিব পদমর্যাদার এ রাষ্ট্রদূত ১৯৮৪ সালের বিসিএসের মাধ্যমে তার কূটনীতিক জীবন শুরু করেন। কূটনৈতিক হিসেবে তিনি ইতালি, সৌদি আরব ও জর্ডানে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়াও তিনি নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের জাতিসংঘ স্থায়ী মিশন, জাকার্তা এবং ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস, ইসলামাবাদের বাংলাদেশ হাইকমিশন ও হংকংয়ে বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন।

ফজলুল করিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে বিএসএস ও এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি আন্তর্জাতিক আইন, উন্নয়ন, শান্তিরক্ষা অভিযান, বাণিজ্যিক বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব এবং সমুদ্র আইনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ এবং কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy