LastNews24
Online News Paper In Bangladesh

গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন জেলা প্রশাসকরা

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপনায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে সভাপতির দায়িত্ব, বিদ্যালয় পরিদর্শন, বিদ্যালয় জাতীয়করণে গঠিত জেলা টাস্কফোর্সের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর গৃহীত গণশিক্ষা কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন কাজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করে জীবনব্যাপী শিক্ষায় নিবিষ্ট করার আহ্বান জানিয়ে সচিব বলেন, গোটা প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের চলমান অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে হলে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং বাড়াতে হবে। এ ছাড়া, পরিদর্শনকালে প্রাথমিক শিক্ষার সমস্যাদি চিহ্নিত করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করলে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত কাজের মান উন্নয়নে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সহজ হবে।

বর্তমান সরকারের সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন এসেছে উল্লেখ করে সচিব জানান, ২০০৯ সালে ছাত্র শিক্ষক অনুপাতের নির্ধারিত লক্ষ্য ১ : ৪৬ এর স্থলে বর্তমানে ১ : ৩৬ এ উন্নীত হয়েছে এবং ঝরে পড়ার হার ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ, যা নিম্নগামী হয়েছে। বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী অনুপস্থিতির হার ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে।

এ ছাড়া, প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ২০০৯ সালের পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৮ সালের পাসের হার হয়েছে ৯৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এ অর্জন প্রাথমিক শিক্ষার মান বৃদ্ধির উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ সাংবিধানিক দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমডিজি অর্জনের পর জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে সব ছেলেমেয়ের জন্য সম্পূর্ণ অবৈতনিক, একীভূত মানসম্মত ও জীবনব্যাপী প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণের জন্য সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অনগ্রসর এলাকার গরিব পরিবারের শিশুদের শিক্ষার জন্য স্থানীয় অবস্থাসম্পন্ন পরিবারের সহায়তাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার মান নিশ্চিতকল্পে শিশুদের মায়ের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

বর্তমান সরকার দেশ থেকে নিরক্ষরতা দূরীকরণে বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে তিনি বলেন, সকল পর্যায়ে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ‘দিন বদলের’ সুস্থ সমাজ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এ কাজে স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন অংশীজন ও দলমত নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে সাক্ষরতা কার্যক্রমকে সামাজিক আন্দোলন হিসেবে রূপান্তর করতে হবে। আনুষ্ঠানিক শিক্ষার পরিপূরক হিসেবে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষায় গতি এলে ‘দিন বদলের সনদ’ ও রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy