LastNews24
Online News Paper In Bangladesh

খেতাব বাতিলে জামুকা’র এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির

0

ষ্টাফ রিপোর্টার/- সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিএনপি।

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, যারা কাউকে খেতাব দিতে পারে না, তাদের বাতিলের ক্ষমতাও নেই।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলে জামুকা সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শনিবার ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে একথা বলেন তিনি।

তার বক্তব্যের পরপরই সমাবেশ পণ্ড করে দেয় পুলিশ।

সমাবেশে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির কয়েক হাজার নেতা-কর্মী অংশ নেয়।
খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘জিয়াউর রহমানই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেন। তার খেতাব আপনারা বাতিল করতে চান’?

তিনি বলেন, জামুকার কোনো এখতিয়ার নেই এই খেতাব বাতিলের। সেই সময়ে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে এই খেতাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাস করতে চাই তাদের নতুন করে কাউকে খেতাব দেওয়ার ক্ষমতা আছে কি না? এটা তাদের নাই। অতএব বাতিল করার ক্ষমতাও জামুকার নাই।

সরকার পতনের আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হোন

বিএনপি নেতা বলেন, যারা চেষ্টা করছেন বাতিল করার জন্য, আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আপনাদের পায়ের নিচে মাটি নাই। শেখ হাসিনার হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আজকে যখন জনগণ রুখে দাঁড়িয়েছে, তখন এই ষড়যন্ত্র। আমি সকলকে আহ্বান জানাব, আগামী দিনে এই সরকারের পতনের আন্দোলনে সকলে ঐক্যবদ্ধ হোন। আজকে আমি সেই আন্দোলনের ডাক দিচ্ছি।

দেশটা ভাষণে নয়, স্বাধীন হয়েছে যুদ্ধে

সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘দেশটা ভাষণে স্বাধীন হয় নাই, দেশটা স্বাধীন হয়েছে যুদ্ধে। সেই মুক্তিযুদ্ধের অপর নাম জিয়াউর রহমান’।

তিনি বলেন, ‘জিয়ার খেতাব নিয়ে আমরা ব্যবসা করি না, আমরা গর্ববোধ করি। আমি সকলকে বলি, ও খেতাব নিয়ে টানাটানি করুক, সবাই মিলে আমরা ওর গদিটা ধরে টান দেই। ওখান থেকে নামিয়ে নিতে পারলে সব হিসাব-নিকাশ একদিনে চুকে যাবে’।

সমাবেশের শুরুতে এসএম জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে একটি মিছিল সমাবেশস্থলে প্রবেশের সময়ে পুলিশের হামলা চালানোর ঘটনার নিন্দা জানান তিনি।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে দক্ষিণের কাজী আবুল বাশার ও উত্তরের আবদুল আলীম নকীর পরিচালনায় সমাবেশে বিএনপির এজেডএম জাহিদ হোসেন, আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, রুহুল কবির রিজভী, ফজলুল হক মিলন, শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মীর সরফত আলী সপু, তাবিথ আউয়াল, ইশরাক হোসেন, মুন্সি বজলুল বাসিত আনজু, যুবদলের সাইফুল ইসলাম নিরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, মহিলা দলের সুলতানা আহমেদ, শ্রমিক দলের আনোয়ার হোসেইন, ছাত্রদলের ইকবাল হোসেন শ্যামল বক্তব্য রাখেন।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy