বন্ধুর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে বাসচাপায় কলেজছাত্রী নিহত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর সদর উপজেলার বাহাদুরপুর কিন্ডারগার্টেন মোড়ে গতকাল বিকেলে বাসের চাকার নিচে পিষ্ট হয়েছেন যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ছাত্রী রিমা খাতুন (২২)। জেস গার্ডেন থেকে বন্ধুর সাথে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেলের পেছন থেকে পড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রিমা খাতুন যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজের সমাজ কল্যাণ (সম্মান) ৩য় বর্ষের ছাত্রী। তার বাড়ি সদর উপজেলার ফরিদপুরে। পিতার নাম কেরামত আলী।
প্রত্যদর্শীরা জানিয়েছেন, রিমা খাতুন গতকাল বিকেলে এক বন্ধুর সাথে মোটরসাইকেলযোগে বাহাদুরপুরস্থ জেস গার্ডেনে ঘুরতে যান। সেখান থেকে বিকেল ৫টার দিকে তার মোটরসাইকেলের পেছনে বসে বাড়ি ফিরছিলেন রিমা খাতুন। বাহাদুরপুর কিন্ডারগার্ডেনের সামনে পৌঁছালে তিনি মোটরসাইকেলের পেছন থেকে রাস্তার উপর পড়ে যান। ্এ সময় যশোর থেকে একটি বাস যাত্রী নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার পথে রিমা খাতুনকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এ অবস্থা দেখে মোটরসাইকেলচালক বন্ধু পালিয়ে যায়। দুর্ঘটনায় রিমা খাতুন গুরুতর আহত হলে স্থানীয় লোকজন মোবাইল ফোনে তার পিতাকে সংবাদ দেন। এরপর কোতয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রিমা খাতুনকে উদ্ধার করার পর যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে আনেন। তখন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কল্লোল কুমার সাহা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ডা. কল্লোল বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় পথের মাঝে তার মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, রিমা খাতুনের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ভাইস প্রিন্সিপ্যাল মো. ইকবাল করিবসহ শিক ও ছাত্র-ছাত্রীরা হাসপাতালে ভিড় জমান। এ সময় এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মৃতার মামা একই গ্রামের হাসান রেজা জানিয়েছেন, আগামী ২৮ ডিসেম্বর তার পরীার ফর্ম পূরণের দিন। গতকাল সকালে রিমা কলেজে আসে। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি। সন্ধ্যায় হাসপাতাল মর্গে এসে তিনি তার লাশ দেখতে পান।
এদিকে, যশোর-মাগুরা সড়কের খাজুরায় ফিলিং স্টেশনের পাশে সড়ক দুর্ঘটনায় আবুল কালাম আজাদ (৩৫) নামে একজন আহত হয়েছেন। আবুল কালামের বাড়ি যশোর সদর উপজেলার আগ্রাইল গ্রামে। পিতার নাম আব্দুর রাজ্জাক। পিতা আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, দুপুর ১২টার মোটরসাইকেলযোগে তিনি খাজুরা বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে ফিলিং স্টেশনের পাশে পৌঁছালে একটি আলমসাধু মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভাগ